শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচনি এলাকায় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো শিক্ষক যদি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো পেশায় লিপ্ত থাকেন, তবে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোথাও দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা অনিয়ম হলে গণমাধ্যম তা প্রচার করতে পারে। সংবাদে প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
.png)
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগের চেয়ে অবকাঠামো নির্মাণে বেশি আগ্রহী ছিল, কারণ সেখানে দুর্নীতির সুযোগ ছিল। তারা শিক্ষার মানের দিকে কোনো নজর দেয়নি। আমরা সেই অচলায়তন ভাঙতে চাই।
কচুয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছালে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। এরপর তিনি উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। সভায় তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান রাসেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিনসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা।