তিনি বলেন, পদ্মাসেতু প্রকল্পে ঘুষ লেনদেনের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এসএনসি-লাভালিন ইন্টারন্যাশনাল ইনক-কে কার্যাদেশ দেওয়ার জন্য প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর বনানী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৪ সালে তদন্ত শেষে দুদক আসামিদের অব্যাহতি দিয়েছিল, তবে এবার সেই মামলার পুনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
২০১২ সালে দায়ের করা ঐ মামলায় মোট সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব মোশাররফ হোসেইন ভূঁইয়া, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস, সাবেক সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিয়াজ আহমেদ জাবের, ইপিসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, কানাডীয় প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ ও সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল এ মামলা এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
.png)
মামলার তদন্তে ২০১৪ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তবে দুদক এখন নতুন তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি পুনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।