মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ওমনি ইন্টারন্যাশনালে ‘বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিক: সংকট ও সমাধান’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেছেন, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং হলে কৃষকের স্বাধীন সত্ত্বা থাকবে না। কন্ট্রাক্ট ফার্ম কৃষকের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এক্ষেত্রে কৃষি ধ্বংস করে বড় কোম্পানিগুলো কাজ করে যাচ্ছে। এতে কৃষকরা কতটুকু উপকার পাচ্ছে তা আমাদের দেখতে হবে।
.png)
তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেঁচে থাকা শুধু মজুরির সাথে সম্পৃক্ত নয়। কৃষক ফসলের ন্যায্য মূল্যে পাচ্ছে না, আবার চালের দাম বাড়লে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে অনেক সময় খাদ্যদ্রব্য আমদানি করতে হয়। কৃষকদের ভর্তুকি দিয়ে ভালো দামে খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করলে আর আমদানি করতে হবে না কিন্তু তা আমরা করছি না।
উপদেষ্টা আরো বলেন, পরিকল্পিতভাবে কৃষি যে জিডিপি গুরুত্ব হারাচ্ছে তা আমাদের ভেবে দেখা দরকার। উন্নত হওয়া মানে কৃষির গুরুত্ব জিডিপিতে কমে গিয়ে অন্য সেক্টরে বাড়বে এমনটি নয়। তিনি এ বিষয়ে আরো গুরুত্বারোপের আহ্বান জানান।
আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, কর্মজীবী নারী সংগঠনের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম খান, রিইব’র পরিচালক সুরাইয়া বেগম, আরএলএস’র প্রজেক্ট ম্যানেজার ভিনোদ কষ্টি প্রমুখ।