সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরম খাঁ হলে চাকরি প্রত্যাশীদের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৯ মার্চ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন উত্তীর্ণ হন। ৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত তাদের মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ অনুসারে, মহিলা ৬০ শতাংশ, পোষ্য ২০ শতাংশ ও পুরুষ ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারিত রয়েছে, যা মেধার অবমাননা বলে তারা উল্লেখ করেন।
.png)
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোটা সংক্রান্ত আগের সব পরিপত্র-প্রজ্ঞাপন-আদেশ-নির্দেশ-অনুশাসন রহিত করা হয়েছে, তাই প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা অনুসরণ করতে আইনগত কোনো জটিলতা থাকার কথা নয়। তাই এই নিয়োগের ফলাফল প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা কোটা সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুসারে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা অনুসরণের দাবিতে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে ৩ দিন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা আহ্বান করেছিলেন আন্দোলনের পরিবর্তে লিখিতভাবে নিজেদের দাবি জানাতে। প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শ অনুযায়ী মানববন্ধন কিংবা আন্দোলনের পরিবর্তে আমরা মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবি জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
তাদের দুই দফা দাবি হলো- প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুসারে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে ফলাফল দ্রুত প্রকাশ করতে হবে। অপরটি হলো- ৩১ জুলাইয়ের এর মধ্যে শূন্যপদসমূহ পূরণের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।