সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সঙ্কট, এতে জরুরিভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
.png)
তিনি যুবসমাজের সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশনকে (জিসিএ) আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান।
জলবায়ু অর্থায়ন ১০০ বিলিয়ন ডলারের দ্বিগুণ করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভালো বিশ্ব নিশ্চিতে কাজ করার ওপর জোর দেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
তিনি বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও লবণাক্ততা দূরীকরণ উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এই সুবিধাগুলো যেন মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের পরিবেশগত উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি পুনরুল্লেখ করেন এবং বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্যে পৌঁছাতে যৌথ পদক্ষেপের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি সুন্দরবন এবং হাকালুকি হাওর সংরক্ষণে ব্রিটেনের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন এবং যুবসমাজের সম্পৃক্ততা ও সবুজ জ্বালানির দিকে রূপান্তরের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। পরবর্তী কপ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে জানান সারাহ কুক।
বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বনের টেকসই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর আলোকপাত করা হয়। উভয় পক্ষ আরো সহযোগিতার সুযোগ, যেমন সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, এবং নীতিগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।