সোমবার বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশন চিফ মুহাম্মদ মিযানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নথি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এর আগে ফাউন্ডেশন ফর ল’ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের পক্ষ থেকে (ফ্লাড) জানানো হয়, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৫৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে আইনি সহায়তা দিচ্ছে তারা।
.png)
ফ্লাডের বিবৃতিতে বলা হয়, সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা এই বন্দিদের সর্বোত্তম আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনি যদি পরিবারের সদস্য হন বা তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত কাউকে চেনেন, তবে অনুগ্রহ করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে তাদের পাশে আছি, তাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
সংগঠনের পরিচালক ব্যারিস্টার কাজী মারুফুল আলম জানান, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রমিকদের কেউই ঐ দেশের আইন সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। দেশপ্রেমিক এই সব শ্রমিককে মুক্ত করার জন্য ফ্লাডের পক্ষ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত অ্যাডভোকেট জাকিয়া আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি ফ্লাডের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করেন।
এছাড়া সলিডারিটি সেন্টার, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, জেনেভায় হিউমান রাইটস কমিশনের কাছে সহায়তার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে ফাওজিয়া করিম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েট ও ফ্লাডকে সব আইনি সহযোগিতা প্রদান করার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
বন্দি শ্রমিকদের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ট্রায়াল করে সাজা প্রদান করা হয়েছে এবং তাদের সহায়তায় তখন বাংলাদেশ দূতাবাস কোনো ভূমিকা রাখেনি, দেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে।
অ্যাডভোকেট জাকিয়া আক্তার বলেন, তারা (বাংলাদেশ দূতাবাস) অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এ বিষয়ে কাজ করছেন। কিন্তু শ্রমিকদের মুক্তির ব্যাপারে কোনো দৃশ্যমান ফল এখনো চোখে পড়েনি। তাই এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠন ফ্লাড বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।