মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
অতিরিক্ত ডিআইজি সোহেল রানা বলেন, জনসাধারণ এবং ছাত্রদের এ আন্দোলনে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এ মুহূর্তে দেশ ও জাতির মতো বাংলাদেশ পুলিশও একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দৃশ্যত বাংলাদেশ পুলিশ এখন নেতৃত্বহীন। অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে। জুনিয়র কর্মকর্তা ও সদস্যরা দিশেহারা। এরা সবাই নিরীহ সদস্য। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশের স্বার্থে রাষ্ট্রীয় একটি প্রতিষ্ঠান রক্ষার উদ্দেশ্যে সবার সহযোগিতা চাচ্ছি। শিগগিরই পুলিশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও নেতৃত্ব যথাযথভাবে সক্রিয় হবে।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি নতুন সরকার সাধারণ ছাত্র-জনতাকে হত্যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথোচিত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি নিরীহ সদস্যদের পুরো উদ্যমে জনসেবায় ব্রত হওয়ারও সুযোগ দেওয়া উচিত। পুলিশের স্থাপনা ও সম্পদ পুলিশ নয় জনগণের। পুলিশসহ রাষ্ট্রীয় সব সম্পদ ধ্বংস বা নষ্ট না করার অনুরোধ রইলো।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম পুলিশি সেবা উপহার দেওয়ার মেধা ও মানসিকতা সম্পন্ন কর্মকর্তা ও সদস্য বাংলাদেশ পুলিশেই রয়েছেন। মেধা, যোগ্যতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেম মূল্যায়ণে যোগ্য কর্মকর্তাদের উপযুক্ত পদে স্থাপন করলেই জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ পাবে। শুধু বলতে চাই, যে পুলিশ একাত্তরে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনার পাশে দাঁড়াতে পেরেছে, করোনায় স্পষ্টতই মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে ছিল তাদের মধ্যে সীমাহীন ভালোটাও রয়েছে। আসুন ভালো মানুষকে টিকে থাকার ও ভালো গুনাবলী চর্চার সুযোগ করে দেই। মহান সৃষ্টিকর্তা চাইলে, নতুন প্রজন্মের নতুন আদর্শ নেতৃত্বে আমরা সেটা পারবো।
সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যদের বিনয়ের সঙ্গে জনগণকে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, পুনরায় জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবায় মনোনিবেশ করার ব্রত গ্রহণ করুন। সবার কাছে সেই সহযোগিতা চাচ্ছি।