মেট্রোরেলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং কবে নাগাদ এটি আবার চালু করা যাবে, তা নির্ধারণে ২২ জুলাই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ডিএমটিসিএল। কমিটির সদস্যরা বলছেন, কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা স্টেশনের সব পরিকাঠামো পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বোঝা যাবে।
এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং ডিএমটিসিএলের দায়িত্বশীলরা বলছেন, মেট্রোরেলের ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশন দুটি পুনরায় চালু করতে এক বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।
.png)
বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে তদন্ত কমিটির প্রধান মো. জাকারিয়া বলেন, কীভাবে কাজগুলো এগিয়ে নেয়া যায়, তার একটা রূপরেখা তৈরি করেছি। বেশ কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা যার যার অংশে পরামর্শক, ঠিকাদার ও ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করবে। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণ করতে আমাদের আরো সময় লাগবে।
মিরপুর ১০ এলাকায় দেখা গেছে, মেট্রোরেলের ভায়াডাক্টের (উড়ালপথ) একটি অংশ আগুনে পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে কংক্রিটের ভায়াডাক্টের কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে তদন্ত কমিটির প্রধান বলেন, ‘আমরা ভায়াডাক্টের এ অংশ ভিজুয়ালি ইন্সপেকশন করেছি। আগুনে ভায়াডাক্টের কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা তা জানতে টেকনিক্যাল ইন্সপেকশন করতে হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত দুই মেট্রো স্টেশন সম্পর্কে তিনি বলেন, স্টেশন দুটিতে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। এ কারণে এ মুহূর্তে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারছি না। স্টেশন ঘুরে আমরা দেখেছি, কিছু জিনিস মিসিং। আবার কিছু জিনিস উল্টে পড়ে আছে। এসব জিনিস ঠিক রয়েছে কিনা, তা সব ব্যবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করলে বোঝা যাবে না।
ডিএমটিসিএলের এক ঊর্ধ্বতন জানান, স্টেশনের কনকোর্স লেভেলে থাকা টিকিট কাটার মেশিন, টিকিট কাটার অফিস, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, কম্পিউটারসহ সব যন্ত্রপাতি ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্টেশনে বসানো অনেকগুলো সিসি ক্যামেরাও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।
এদিকে মেট্রোরেল বন্ধ থাকায় রাজধানীবাসীকে ফিরে যেতে হয়েছে আগের সেই ভোগান্তি আর দুর্ভোগের জীবনে। গন্তব্যে পৌঁছতে মিরপুরবাসীকে এখন দেড়-দুই ঘণ্টা বেশি সময় হাতে নিয়ে বের হতে হচ্ছে।