বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্য কমিয়ে সরকার যখন বাস ভাড়া কমানোর চেষ্টা করছে, এমন সময়ে কমানো ভাড়া কার্যকর করার পরিবর্তে পবিত্র ঈদুল ফিতরের যাতায়াতে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস, লঞ্চ, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে নৈরাজ্য শুরু হয়েছে।
.png)
প্রতি বছর ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যকারী গণপরিবহনগুলোকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। পরিবহন কোম্পানিগুলো প্রকাশ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না।
এতে আরো বলা হয়, অভ্যন্তরীণ রুটে আকাশ পথে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে বিমানের টিকিটি বিক্রি হচ্ছে। সড়ক পথে বিভিন্ন দুরপাল্লার রুটে ৫ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেড়গুণ বাড়তি ৮, ৯ ও ১০ এপ্রিল কোথাও দিগুণ, কোথাও তিনগুণ বাড়তি দামে বাসের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। নৌপথে বিভিন্ন রুটে কেবিনের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ-তিনগুণ বাড়তি ভাড়ায় টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
এমন ভাড়া নৈরাজ্য প্রকাশ্যে ঘটলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এতে নিম্ন আয়ের লোকজন ও গার্মেন্টসকর্মী, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা ঈদের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়ছে। তাই যাত্রী স্বার্থ রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।