মঙ্গলবার রাজধানীর রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
আইজিপি আল মামুন বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষের কারণে ঘুমধুম সীমান্ত উত্তেজনা বিরজা করছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ঐ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বলতে গিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা আহতদের চিকিৎসা ও চলমান সরকারি সহায়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
.png)
নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছি। জেলা পুলিশের পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। সীমান্তে বিজিবি সক্রিয়ভাবে টহল দিচ্ছে। আমাদের বাহিনীকে স্থানীয় প্রশাসন, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।
ঘুমধুম সীমান্তে বাংলাদেশি নারীসহ দুইজনের মৃত্যুর বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করেন, এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের আত্মোৎসর্গের প্রশংসা করে বিপদের মুখেও দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন আইজিপি।