জানা গেছে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস এবং ২ নভেম্বর থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেস নতুন রুট (খুলনা-পোড়াদহ-কুষ্টিয়া কোর্ট-রাজবাড়ি-ফরিদপুর-পদ্মা সেতু-ঢাকা কমলাপুর) দিয়ে যাতায়াত করবে। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশন পর্যন্ত ৭৭ কিলোমিটার দূরত্বে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মেইল ট্রেনে ৮০ টাকা, কমিউটার ট্রেনে ১০০ টাকা, শোভন চেয়ার ২৩০ টাকা, এসি চেয়ার ৪৪৩ টাকা, এসি সিট ৫২৯ টাকা এবং এসি বার্থ ৭৯৪ টাকা।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার বলেন, গতকাল থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ভাড়া কমানোর পর যেটি নির্ধারণ করা হয়েছে, সেই ভাড়াতেই টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
.png)
খুলনা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. মাসুদ রানা বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি রয়েছে। নতুন এ রুটে যাত্রীদের আগ্রহও বেশি। এরই মধ্যে পদ্মাসেতু পার হয়ে ঢাকায় ট্রেনে যাত্রা করার জন্য খোঁজ নিতে শুরু করেছেন যাত্রীরা।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মাসেতু চালু হওয়ার পর থেকে গার্মেন্টসহ রপ্তানি পণ্য পরিবহনে সুবিধা বেড়েছে। রেল যোগাযোগ চালু হলে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি আরো বাড়বে। পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় গত এক বছরে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি বেড়েছে দ্বিগুণ।