বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন ও গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে জানাজা শেষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তাকে দাফন করা হবে।
শুধু পেয়ারার কারণেই কাজী বদরুদ্দোজার নাম বাংলাদেশের আধুনিক কৃষির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, তা নয়। দেশের কৃষিখাতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া থেকে শুরু করে কৃষি ও কৃষকের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কাজ করেছেন এ কৃষি সংগঠক।
.png)
কৃষিবিজ্ঞানী কাজী এম বদরুদ্দোজা ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়। ১৯৪৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট (বর্তমানে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে পড়াশোনা করেন।
স্বল্প পরিচিত ফসল গম ও ভুট্টা চাষ সম্পর্কে জানার জন্য তিনি সুইডেনের বিশ্বখ্যাত স্তালভ গবেষণা কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেন। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের পাকিস্তান অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলের পরিচালক, নির্বাহী পরিচালক ও মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিয়ে তিনি প্রথম বাংলাদেশে উচ্চ ফলনশীল গম প্রবর্তন করার উদ্যোগ নেন। ১৯৫৭ সালে তিনি ইকোনমিক বোটানিস্ট (ফাইবার) পদ লাভ করেন।