মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
ডা. এম মহাপাত্র বলেন, ঝড়টি আগামী ১১ মে পর্যন্ত উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে কেন্দ্রীয় বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হতে পারে। এটি খুবই মারাত্মক ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ১১ মে বঙ্গোপসাগরে ঝড়টির বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার হতে পারে। এরপর ঝড়টির দিক পরিবর্তন হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার উপকূলের কাছে পৌঁছে যাবে। এটি বাংলাদেশের উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় শক্তি অর্জন করতে থাকবে এবং পুরোপুরি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পরই এর সর্বোচ্চ তীব্রতা বোঝা যাবে।
.png)
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্ক বার্তায় বলা হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সোমবার (৮ মে) মধ্যরাতে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো ঘনীভূত হতে পারে। সূত্র: নিউজ ১৮