বুধবার নির্বাচন ভবনে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত শুনানির প্রথমদিন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
ইসি সচিব বলেন, যতগুলো আবেদন আমাদের কাছে আছে তা কমিশন শুনবে। এখানে যে তথ্য-উপাত্ত দিয়েছে সেটাকে কমিশন বিশ্লেষণ করবে। এখানে একটি নীতিমালা আছে, যেমন প্রশাসনিক অখণ্ডতা, ভৌগলিক অখণ্ডতা, জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যা, অন্যান্য পারিপার্শ্বিক বিষয়ে বিবেচনা করে তারপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং সেটা গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেবেন। জুলাই মাসের মধ্যে এটা শেষ করার কথা রয়েছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনী আসন সংক্রান্ত বিন্যাসের কার্যক্রম শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনার আলমগীরের নেতৃত্বে একটি কমিটি ছিল। সেই কমিটি একটা খসড়া প্রস্তাবনা কমিশনে উপস্থাপন করে। যা এরই মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি আকারে দেশবাসীকে অবহিত করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বেশ কয়েকটি আসনের পক্ষে-বিপক্ষে আবেদন করেছেন। সেগুলোর শুনানি হচ্ছে।
জানা গেছে, ৩৮টি আসনের সীমানা নিয়ে ইসিতে মোট ১৮৬টি আবেদন পড়েছিল। সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে কুমিল্লা অঞ্চলে ৮৪টি। সবচেয়ে কম আবেদন পড়েছে ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে, একটি করে। রংপুর ও সিলেট অঞ্চলে কোনো আবেদন পড়েনি।
অন্যদিকে রাজশাহীতে ৪৩টি, বরিশালে ২৯টি, ঢাকায় ১৮টি এবং খুলনা ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে পাঁচটি করে আবেদন পড়েছে।
এদিন কুমিল্লা অঞ্চলের আবেদনগুলোর শুনানি হয়। ৭ মে রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের আপত্তিগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।