শুক্রবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মতিঝিল, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজারসহ অন্য বাজার ঘুরে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
কাঁচামাল ব্যবসায়ী রবীন বলেন, পূজা সাপ্তাহিক ছুটি সবকিছু মিলিয়ে বাজারে বেড়েছে সবজির দাম। পূজার কারণে বাজারে সরবরাহ কমলেও ক্রেতার পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাজার চড়া।
.png)
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বেড়ে কাঁচা মরিচ ৩৫০, ৬০ টাকা বেড়ে টমেটো ২২০, ২০ টাকা বেড়ে পটল ৮০, শসা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেগুন মান ভেদে ১২০-১৪০ টাকা, শিম ২৪০, করলা ১০০, বরবটি ১২০, পেঁপে ৪০ টাকা, কাকরোল ৯০ টাকা, দেশি গাজর ১০০, চায়না গাজর ১৫০, ঢেঁড়শ, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, কচুর মুখি, মুলা, ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ২৫ টাকা, ধনে পাতার কেজি ২৫০, কলার হালি ৪৫, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া বাজারগুলোতে লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০, মুলা শাক ২০, পালংশাক ২০ টাকা, কলমি শাক ১৫, পুঁইশাক ৫০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে- ডজন প্রতি ৫ টাকা বেড়ে সাদা ফার্মের ডিম ১৬৫ টাকা, লাল ফার্মের ডিম ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া হাঁসের ডিম ডজন প্রতি ২১০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ডজন প্রতি ২১০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০, দেশি মুরগি ৫২০ থেকে ৫৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
গরুর মাংসের কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, ছাগলের মাংস কেজিপ্রতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে বেড়েছে আলু ৫৫ টাকা, পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা এবং আদা ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে পাঁচ কেজি সয়াবিন তেল ৮১৮ টাকা, দেশি মসুর ডালের কেজি ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজিপ্রতি মোটা চাল ৫৭ টাকা, মিনিকেট ৭৩, আটাশ চাল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল আমনধানের চাল ৭৫ টাকা, সুগন্ধী চিনিগুড়া পোলাও’র চাল ১২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি নয়শ’থেকে এক হাজার টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের মাছ এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা, ১ কেজি ১০০ গ্রামের মাছ এক হাজার ৬০০ টাকা, এক কেজি ৪০০ গ্রামের মাছ এক হাজার ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাষের শিং মাছের কেজি (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, রুইয়ের দাম কেজিতে বেড়ে (আকারভেদে) ছয় কেজি ওজনের রুই মাছ ৪০০ টাকা, এক কেজি ওজনের রুই মাছ ২৮০, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে এক হাজার ১০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাঙ্গাশ ২১০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, বোয়াল ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পোয়া ৪৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।
তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, মলা ৬০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাঁচকি ৫০০, পাঁচমিশালি ২২০, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বাইম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, দেশি কই ১ হাজার ২০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬৫০ থেকে ৮০০, বেলে ৯০০ টাকা এবং কাইক্ক্যা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ভারতীয় জিরার কেজি ৭৮০ টাকা, শাহী জিরার কেজি ১৬৬০, মিষ্টি জিরার কেজি ২৪০ টাকা, পাঁচফোড়নের কেজি ২০০ টাকা, রাঁধুনী পাঁচফোড়নের কেজি ৫০০ টাকা, মেথির কেজি ১৫০ টাকা, চিনাবাদামের কেজি ১৬০ টাকা, কাজু বাদামের কেজি এক হাজার ৬০০ টাকা, পেস্তা বাদাম দুই হাজার ৭৫০ টাকা, ত্রিফলা ১৫০ টাকা, জয়ফল ৮০০ টাকা, তেজপাতা ১৮০ টাকা, সাদা গোলমরিচের কেজি ১ হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা, গোলমরিচের কেজি এক হাজার ২০০ টাকা, ধনিয়ার কেজি ২৫০ টাকা, সরিষার কেজি ১০০, কিসমিস ৫২০ থেকে ৫৪০ টাকা, এলাচের কেজি তিন হাজার ৮০০ টাকা, কালো এলাচের কেজি ৩ হাজার টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৭০০ টাকা, আলুবোখারার কেজি ৫৫০ টাকা, দারুচিনি কেজিপ্রতি ৫৫০ টাকা, খোলা হলুদের গুঁড়ার কেজি ৩৭০ টাকা, খোলা মরিচের গুঁড়ার কেজি ৪৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারভেদে মসলার দামের ভিন্নতা রয়েছে।