সোমবার হাতিরপুল, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটসহ অন্য বাজার ঘুরে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সবজির দাম কমলেও বিভিন্ন জেলা থেকে চালের ট্রাক না আসায় কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়ে গেছে। কৃষি মার্কেটের খুচরা বিক্রেতা শওকতসহ অন্য বিক্রেতারা বলেন, ভয়ে-আতঙ্কে ঢাকায় কোনো চালের ট্রাক আসেনি। আগের চালই বিক্রি করা হচ্ছে। পাইকারি কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়ে গেছে দাম। এ জন্য ৭০ টাকার মিনিকেট ৭২ টাকা, ৫৬ টাকার আটাশ চাল ৫৮ টাকা, মোটা চাল ৫২ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
.png)
বাজারের খুচরা বিক্রেতারা বলেন, কয়েকদিন থেকে দেশের অবস্থা একটু ভালো হওয়ায় বিভিন্ন জেলা থেকে সবজির সরবরাহ বেড়েছিল। এ জন্য দামও ছিল কম।
বেগুন ৫০-৭০ টাকা, করলা ৭০-৮০, পটল, ঢেঁড়শ, ধুন্দুলের কেজি ৪০ টাকায় নেমেছে। কাঁচামরিচের কেজি ২০০-২৬০ টাকা। অন্য সবজির দামও কমেছে। ঝিঙ্গা-মুলা ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে-শসার কেজি ৪০-৫০, বরবটি ৯০, টমেটো, গাজর ১৮০ টাকা কেজি। পুঁইশাকের আঁটি ২৫-৩০ টাকা, লাল শাক, পালং ও পাট শাকের আঁটি ১৫ টাকা বিক্রি করতে দেখা যায়।
উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় মুরগির গাড়ি না আসায় এক দিনের ব্যবধানে ১০-২০ টাকা বেড়ে গেছে। হাতিরপুল বাজারের মুরগি বিক্রেতা ফয়েজ ও টাউন হল বাজারের ব্রয়লার হাউসের বেল্লাল বলেন, শনিবার থেকে ঢাকায় অস্থিরতা শুরু হয়। এ জন্য বগুড়া, যশোরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে গতকাল মুরগির ট্রাক আসেনি। তাই ১৭০ টাকার ব্রয়লার ১৮০-১৯০ টাকা হয়ে যায়। ২৮০ টাকার সোনালি মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা ও ৫৫০ টাকার দেশি মুরগি ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। ক্রেতাও কমে গেছে।
ডিমের দাম ডজনে ৫-১০ টাকা বেড়ে ১৬০-১৭০ টাকা বিক্রি হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, ভ্যান আসেনি। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। টাউন হল বাজারের ডিম বিক্রেতা কামাল বলেন, ১৫০ টাকা ডজন। তবে অন্য বিক্রেতারা বলেন, ১৬০ টাকা। তবে পাড়া-মহল্লায় ১৭০ টাকা ডজনও বিক্রি হচ্ছে ডিম।