তিনি বলেন, তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন হৃদরোগীরা। যাদের হৃদরোগ আছে তাদের সবচেয়ে বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন শরীরে পানির অভাব দেখা না দেয়। বারবার পানি পান করতে হবে। এমনকি পিপাসা অনুভব করার জন্য দেরি করা যাবে না।
এছাড়া গরমের সময়ে সুস্থ থাকতে চাইলে মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হবে। ডিম খাওয়া যথাসম্ভব কমাতে হবে। আগের তুলনায় অন্তত অর্ধেক কমানো উচিৎ। তবে মাছ খাওয়া যেতে পারে। ফল ও শাকসবজি খাওয়া বাড়াতে হবে। বিশেষ করে মৌসুমি ফল বেশি খেতে হবে। সেই সঙ্গে বেশি করে পানি পান করতে হবে।
.png)
তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে এসবের বাইরে বিশেষজ্ঞরা সরাসরি দিনের সূর্যের আলো বা তাপে বাইরে যেতেও নিষেধ করেছেন। বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাইরে না থাকায় উত্তম। এ সময় সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির সঙ্গে ধুলাবালি মিশে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা তৈরি করে।
এই দাবদাহে সুস্থ থাকতে এসব পদ্ধতি অনুসরণ করলে মোটামুটি সুস্থ থাকা যাবে বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মুজিবুর রহমান।