চারটি মশলায় বেশি ভেজাল মেশানো হয়, জানুন বুঝার উপায়
মশলা ছাড়া রান্না করার কথা চিন্তা করাই অসম্ভব। খাবারের স্বাদ বাড়াতে প্রতিদিনের রান্নায় মশলা ব্যবহার হয়ে থাকে। এই অতি প্রয়োজনীয় মশলায় যদি ভেজাল থাকে, তবে খাবারের স্বাদ বাড়ার বদলে তা খেতে আরো বাজে লাগবে। সেই সঙ্গে হয় স্বাস্থ্যের ক্ষতিও।
তাই মশলা কেনার আগে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন চারটি মশলা সম্পর্কে, যেগুলোতে সাধারণত বেশি ভেজাল মেশানো হয়-
গোলমরিচ
গোলমরিচে অনেক সময়ে পেঁপের বীজ মেশানো হয়। এই গোলমরিচ খেলে কোনো উপকারই পাবেন না। মশলাটি খাঁটি কি না বুঝতে এক গ্লাস জলে সামান্য গোলমরিচ দিন। গোলমরিচ খাঁটি হলে তা জলের নিচেই ডুবে থাকবে। পেঁপের বীজ মেশানো থাকলে, তা উপরে ভেসে উঠবে।
সর্ষে
ভেজালের হাত থেকে রেহাই পায় না সর্ষেও। সর্ষের সঙ্গে অনেক সময়েই মিশিয়ে দেওয়া হয় আর্জেমন বীজ। সর্ষেতে এই ভেজাল মেশানো আছে কি না, বুঝতে একটি কাচের প্লেটে সামান্য সর্ষে নিন। হাত দিয়ে ভালো করে বেছে দেখুন। সর্ষের পিঠ সাধারণত বেশি মসৃণ হয় আর্জেমন বীজের থেকে। আর্জেমন বীজ একটু মোটা দানার আর খসখসে হয়। সর্ষের বীজ আসল হলে, তা গুঁড়া করলে এর ভেতরে হলুদ অংশ দেখা যাবে। কিন্তু আর্জেমন বীজ হলে, তা গুঁড়া করলে ভেতরে সাদা অংশ দেখা যাবে। এই তফাৎ একটু খেয়াল করতে হবে।
জিরা, ধনে গুঁড়া
এসব মশলায় ভেজাল দিতে মেশানো হয় কাঠের গুঁড়া। তাই গুঁড়া মশলায় ভেজাল আছে কি না বুঝতে এক গ্লাস জলে ১ চা চামচ ধনে বা জিরা গুঁড়া দিতে হবে। মশলা খাঁটি হলে, জল পরিষ্কার থাকবে। না হলে জলের উপর কাঠের গুঁড়া ভেসে উঠবে।