জানুন, যৌতুকের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
সামাজিক এক মারাত্মক ব্যাধির নাম যৌতুক। যা সমাজের একজন নারীকে অসহনীয় কষ্ট দিয়ে থাকে। এই ব্যাধির কারণে এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে অনেক নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। অনেককেই আবার অমানবিক অত্যাচার করে হত্যাও করা হয়েছে।
যৌতুক নেয়া দেশের আইন ও ইসলামে নিষিদ্ধ হলেও এখনো এই প্রথা রয়ে গেছে। ফলে প্রতিদিনই ঘটছে বিবাহবিচ্ছেদ ও নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা।
যৌতুক মানে কী?
বিয়ের সময় মেয়ে পক্ষের কাছ থেকে ছেলে পক্ষের আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা নেয়াকে সাধারণত যৌতুক বলা হয়ে থাকে। তবে আইনে বিয়ের শর্ত হিসেবে বর বা কনে পক্ষের দাবিদাওয়াকে যৌতুক বলে।
আরো পড়ুন: নতুন সংসার? খাট কেনার আগে মাথায় রাখুন চার বিষয়
১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইন অনুযায়ী, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিয়ের আগে ও পরে বা বিয়ে চলাকালে যেকোনো সময় যেকোনো সম্পদ বা মূল্যবান জামানত হস্তান্তর করে বা করতে সম্মত হওয়া। যৌতুক গ্রহণ ও যৌতুক প্রদান অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
যৌতুকের শাস্তি কী?
যৌতুক নেয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এবং সর্বনিম্ন এক বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
সূত্র: অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ জর্জকোর্ট।