ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

সায়মন হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আদালত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:২০, ৬ অক্টোবর ২০২৬
সায়মন হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় পোশাককর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও একজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। অপর আসামি সুজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া জানান, রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর-১ থেকে বাসায় ফেরার সময় সায়মনকে ভয় দেখিয়ে রিকশায় করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী।

সেখানে তাকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত সায়মনকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সায়মন মিরপুর-১ এলাকার একটি পোশাক কারখানায় ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ঘটনার দিন বেতন পাওয়ার পর দুই সহকর্মীর সঙ্গে কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় মামলা করেন।

তদন্তের একপর্যায়ে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীর বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

ওই বছরের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়। মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!