ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

‘শিশু জিহাদ হত্যা’ মামলায় হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:১০, ২০ মার্চ ২০২৬
‘শিশু জিহাদ হত্যা’ মামলায় হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি
ফাইল ফটো

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে করা ‘শিশু জিহাদ হত্যা’ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সবাইকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২০ মার্চ) বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। পরে কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার জিআরও আবদুল নূর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এ অব্যাহতির আদেশ দেন। ঢাকার সিজেএম আদালতে ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট তদন্ত শেষে পুলিশ এ প্রতিবেদন জমা দেন।

Advertisement

অব্যাহতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) আবদুল নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিচারক আদেশে বলেছেন, মামলার এজাহার, চার্জশিট এবং ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, এটি হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছে। তিনি শুধু জখমপ্রাপ্ত হয়েছেন। যা স্বয়ং নিজেই আদালতে স্বীকার করেছে। এ অবস্থায় কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে সব আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিশু জিহাদ নিহত হয়েছে- এমন অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার দলের ১২৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেন বাবা জহিরুল ইসলাম রাজু। তবে তদন্তে পুলিশ জেনেছে, জিহাদ মারা যায়নি; ‘বাসস্থান-আর্থিক লোভে’ পড়ে মামলায় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এ কারণে মামলা থেকে শেখ হাসিনারা অব্যাহতি পেয়েছেন।

পুলিশ বলছে, তদন্তে গিয়ে ভুক্তভোগীকে জীবিত পাওয়া গেছে; ভিন্ন স্থানে ‘জখম হওয়ার’ ঘটনাকে কেরাণীগঞ্জে ‘হত্যা’ সাজিয়ে দায়ের করা মামলায় ‘তথ্যগত ভুল’ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে গত বছরের ১১ অগাস্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার এসআই বদিয়ার রহমানের দাখিল করা প্রতিবেদন গ্রহণ করে গত বছরের ৩০ অক্টোবর আসামিদের অব্যাহতি দেন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না।

আদেশে বলা হয়, মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র এবং ভুক্তভোগীর জবানবন্দি থেকে জানা যায়, হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছে। তিনি কেবল জখম হয়েছেন, যা নিজেই আদালতে স্বীকার করেছেন। এমন অবস্থায় কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের অব্যাহতি দেওয়া হলো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!