মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের নিজ দফতরে একথা বলেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই আন্দোলনটা সম্পূর্ণ অন্য কোনো উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি আদেশে বলে দিয়েছেন, তাদের (আন্দোলনকারীদের) বক্তব্য থাকলে আদালতে আসতে পারেন। তারা কিন্তু আসছে না। আমি একটি টকশোতে অনুরোধ করেছি (আন্দোলনকারীদের) কোনো একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেন। তারা বলছে, প্রশাসনিক আদেশ দিয়ে সরকার এটা (কোটা বাতিল কিংবা সংস্কার) করে দিতে পারে। যারা এটা বলছেন এবং তাদের (আন্দোলকারীদের) যারা বুদ্ধিদাতা, হয় তারা আইন জানেন না, নয় তারা তাদের ভুল পথে পরিচালিত করার জন্য এ কথাগুলো বলছেন। তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে।
.png)
তিনি বলেন, যেহেতু আদালত আদেশ দিয়ে বাতিল (কোটা বাতিলের পরিপত্র) করে দিয়েছেন, সেখানে সরকার আরেকটা আদেশ দিয়ে কোটা বাতিল করতে পারে না। করলেও সেটা সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয়ে যাবে। তাই সুপ্রিম কোর্ট থেকে চূড়ান্ত আদেশ পাওয়ার পর যেটা করার সেটা করতে হবে। তার আগে পারবে না।
এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য যদি কোটা বাতিলই হতো, তাহলে সবচেয়ে বড় জায়গা হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট যেটা বলে দেবে, সেটা তো কেউ আর পরিবর্তন করতে পারবে না।