রোববার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন আদালতে কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এর বিচারক মো. বদরুল আলম ভূঞা। এদিন জয়নুল আবেদীন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন। তবে মামলায় তার ছেলে পলাতক রয়েছেন।
গত ৩০ মে এ মামলায় প্রথম সাক্ষী দেন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান। দুদকের আইনজীবী রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
গত ৩১ মার্চ এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক থাকায় বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনের ছেলে মো. ফয়সাল আবেদীনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বিচারক।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ২১ জুলাই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, জয়নুল আবেদীনের পারিবারিক ও অন্যান্য আয়সহ সর্বমোট অর্জিত সম্পদ ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ২১৩ টাকা। এর বিপরীতে আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ৮৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩০৪ টাকার। তার আয়ের তুলনায় ৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৯ টাকা বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। মামলাটি তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক গোলাম মাওলা দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।