বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মো. শামসুল ইসলামের আদালতে মামলার আবেদন করেন তিনি। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি গ্রহণের জন্য হাজারীবাগ থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, আসামি ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।
.png)
মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে আসামি ফুয়াদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ২০১৬ সালে তাদের সম্পর্ক প্রেমে গড়ায়। এরপর বাদীকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে আসামি কক্সবাজার, ঢাকার বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। কক্সবাজারে শারীরিক সম্পর্ক করার আগে কাজী ডেকে আসামির সঙ্গে বাদীর বিবাহ হয়। বিয়ের কাগজ করার কথা বললে আসামি বারবার এড়িয়ে যায়। এরপর সবশেষ ২০২৪ সালে জানুয়ারির ৩ তারিখে বাদীর সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করেন আসামি ফুয়াদ।
এর আগে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন আসামি ফুয়াদ। আদালত মামলাটির এজাহার গ্রহণ করে এ মামলার আসামি এ নারীকে ৩০ জুন আদালতে উপস্থিত হতে সমন জারি করেন।
জানা গেছে, স্ত্রী পরিচয় পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে বুধবার এ মামলাটি করেন ঢাবি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন। ফুয়াদের করা মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফুয়াদের সঙ্গে আসামি ঐ নারীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হতো। পরে তাদের সঙ্গে কথাবার্তা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আসামি গত ১ ও ২ জুন বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে নিজেকে ফুয়াদের স্ত্রী বলে দাবি করেন। যদিও কোনো সাংবাদিককে তিনি কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভুক্তভোগী এ নারী এবং ফুয়াদ হোসেন বিয়ে নিয়ে মিডিয়াতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী বিয়ে হয়েছে দাবি করলেও ফুয়াদ বলছেন এটি প্রতারণা।