বুধবার দুপুরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক সাবেরা সুলতানা খানমের আদালত এ রায় দেন। দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাস কারাভোগ করতে হবে।
এদিন রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারো তাকে কারাগারে নেয়া হয়েছে।
.png)
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঐ ছাত্রী দিন মজুর বাবা-মায়ের সঙ্গে রাজধানীর মহাখালীর সাত তলা আইপিএইচ জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় থাকতো। প্রতিদিনের মতো তার বাবা-মা সকালে কাজের উদ্দেশে বের হয়ে যান। ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ঐ শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে ঘরে তালা দেওয়ার সময় পাশের বাসার ভাড়াটিয়া জুয়েল তাকে ডেকে নিজে রুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পর দিন তার বাবা বনানী থানায় মামলা করেন।
২০১৯ সালে ১২ মে মামলাটি তদন্ত করে জুয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন বনানী থানার সাব-ইন্সপেক্টর সাদিয়া শারমীন। ঐ বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর জুয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ও বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
আসামি জুয়েল শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানার কালিনগর গ্রামের মৃত তোতা আলীর ছেলে।