সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর বগুড়া জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করা হয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ এবং দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ সালের ৫(২) ধারায় মামলাটি করেছেন। মামলা নং-০৮।
.png)
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মামলায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক এমডি শাহজাহান ভূঁইয়া ছাড়াও ঋণ গ্রহীতা ব্যবসায়ী সমীর প্রসাদ দত্তকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ইউসিবিএল থেকে ২০১০ সালে মাত্র ১৩ কোটি টাকার সম্পদ জামানত রেখে ঋণ প্রদানের নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে মেসার্স দত্ত ট্রেডার্সের প্রোপাইটর সমীর প্রসাদ দত্তের নামে ৫৮ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করা হয়। পরে ছয় মাস না যেতেই গ্রহীতা ঋণ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় পরে তাকে ঋণের সুদ মওকুফ করে অবৈধ সুবিধা প্রদান করা হয়। এভাবেই ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শাহজাহান ভুঁইয়া ও মেসার্স দত্ত ট্রেডার্সের প্রোপাইটর সমীর প্রসাদ দত্ত পরস্পর যোগসাজশে ও অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যাংকের ঋণের অর্থ সুদ ও আসলসহ মোট ১০৯ কোটি ২০ লাখ ৯৯ হাজার ৪০৫ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এজাহারে বলা হয়, আসামিরা মাত্র তিন মাস ব্যবধানে ঋণ প্রদানের কোনো নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ১৩ কোটি টাকার সমপরিমাণ সহায়ক জামানত রেখে পুনরায় ৪৯ কোটি টাকা থেকে ৫৮ কোটি টাকা ঋণসীমা বৃদ্ধিপূর্বক সরবরাহ করেন এবং তা পরবর্তীতে ৬ মাস না যেতেই ঋণ গ্রহীতা ঋণ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পরে তাকে ইউসিবিএল থেকে কয়েকবার ঋণের সুদ মওকুফ এর অবৈধ সুবিধা প্রদান করে তারা পরস্পর যোগসাজশ অসৎ উদ্দেশ্যে অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাংকের (মূল ৪৭,৬৫,৩৬.৩৪১/- টাকা এবং সুদ ৬১,৫৫,৬৩,০৬৪/-) টাকাসহ সুদআসলে মোট ১০৯,২০,৯৯,৪০৫/-(একশত নয় কোটি বিশ লাখ নিরানব্বই হাজার চারশত পাঁচ) টাকা আত্মসাৎ করেন, যা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ এবং দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ সালের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিধায় তাদের বিরুদ্ধে বর্ণিত ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজুর অনুরোধ করা হলো।