রোববার (২১ এপ্রিল) দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর এ আবেদন করেন তিনি।
এ সময় তিনি বেনজীরকে নিয়ে দেশের একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করেন। আবেদনে বেনজির আহমেদের পাশাপাশি তার স্ত্রী জিসান মির্জা, দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
.png)
জানতে চাইলে সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, ‘বেনজিরের বিরুদ্ধে পত্রিকায় যে রিপোর্ট আসছে তা প্রায় হাজার কোটি টাকার। এ ব্যপারে এখন পর্যন্ত কোনো অনুসন্ধান ব্যবস্থা না দেখে দুদকে এসে নাগরিক হিসেবে আবেদন করেছি। এই অভিযোগের ইনকোয়্যারি করা দরকার।’
দুদক পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টে যাবেন বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন।
সুমনের আবেদনের পর সুপ্রিম কোর্টে দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আবেদনের বিষয়টি জানতে পেরেছি। তার এই দরখাস্তের প্রেক্ষিতে দুদক তার আইন ও বিধি অনুসারে যাচাই-বাছাই করবে।’
আবেদনে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশ পুলিশের ৩০তম আইজি ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। কিন্তু চাকরিতে থাকাকালে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে, যে সম্পদগুলো তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
প্রতিবেদনের তথ্যের বরাত দিয়ে সুমনের আবেদনে বলা হয়েছে, ‘বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের চেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি। ফলে বেনজীর আহমেদ চাকরিতে থাকাকালে পদ-পদবী, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব সম্পদ অর্জন করেছেন বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। ফলে বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী সন্তানদের সম্পদের তদন্তে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।’