সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় নতুন দিন ধার্য করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসিমের আদালত।
আদালতে কোতোয়ালি থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আশ্রাফ আলী বিষয়টি জানিয়েছেন।
.png)
২০২২ সালের ২০ নভেম্বর জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় এজাহারভুক্ত ২০ জনসহ ৪১ জনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে সাগর ওরফে বড় ভাইয়ের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় আয়মান ওরফে মশিউর রহমান, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে আকাশ ওরফে কনিক, তানভীর ওরফে সামশেদ মিয়া ওরফে সাইফুল ওরফে তুষার বিশ্বাস, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ ওরফে সুমন ও মো. ওমর ফারুক ওরফে নোমান ওরফে আলী ওরফে সাদ পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিদের ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করে।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুটি মোটরসাইকেলে আনসার আল ইসলামের ৫-৬ জন সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান নেয়। এছাড়া ১০-১২ জন আনসার আল ইসলামের সদস্য আদালতের মূল ফটকের সামনে অবস্থান করে। এরপর তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
মামলা এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর সকাল ৮টা ৫ মিনিটে কাশিমপুর থেকে ১২ জন আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার আদালতে নিয়ে আসা হয়। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগে আসামিদের হাজিরা দেওয়ার জন্য সিজেএম আদালত ভবনের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল ৮-এ নিয়ে যাওয়া হয়। এ মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা ১৩ নম্বর আসামি মো. ঈদী আমিন ও ১৪ নম্বর আসামি মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যায়।
এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে আদালতের মূল ফটকের সামনে আনসার আল ইসলামের সদস্যরা মইনুল হাসান শামিম ওরফে সিফাত ওরফে সামির ওরফে ইমরান, মো. আবু সিদ্দিক সোহেল, মো. আরাফাত রহমান, ও মো. আব্দুস সবুর ওরফে রাজু ওরফে সাদ ওরফে সুজনকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে আসামিদের মধ্যে একজন লোহা কাটার যন্ত্র দিয়ে কনস্টেবল আজাদের মুখে আঘাত করে।