বৃহস্পতিবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। এদিন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে মা পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুবের আদালত নতুন দিন ধার্য করেন।
আদালতে উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার এসআই নওশের আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
হিমুর মৃত্যুর ঘটনায় তার খালা নাহিদ আক্তার ২ নভেম্বর রাতে জিয়াউদ্দিন ওরফে রুফিকে আসামি করে মামলাটি করেন।
মামলায় নাহিদ আক্তার অভিযোগ করেছেন, জিয়াউদ্দিন রুফি হিমুর বন্ধু। ৬ মাস আগে থেকে সে নিয়মিত হিমুর বাসায় যাতায়াত এবং মাঝেমধ্যে রাতযাপন করত। ১ নভেম্বর রুফির মোবাইল নাম্বার ও বিগো আইডি ব্লক দেয় হিমু। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝামেলা হয়। ২ নভেম্বর বিকেল ৩টার দিকে রুফি বাসায় এসে কলিং বেল দেয়। মিহির দরজা খুলে দিলে সে ভেতরে হিমুর রুমে চলে যায়।
বিকেল ৫টার দিকে মিহিরের রুমে গিয়ে রুফি চিৎকার করতে করতে বলে, হিমু আত্মহত্যা করেছে। তখন মিহির তাকে জিজ্ঞাসা করে, আপনি তো রুমেই ছিলেন। তখন রুফি জানায়, সে বাথরুমে ছিল। ঐ সময় হিমু রুমের সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে রশি লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মিহির সঙ্গে সঙ্গে হিমুর রুমে ঢুকে তাকে গলায় রশি লাগিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায়। রুমে থাকা দুটি কাঁচের গ্লাস ভাঙা অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিক তারা হিমুকে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন রুফি হিমুর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নিয়ে কৌশলে চলে যায়।
হিমু বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত যেকোনো সময়ে আত্মহত্যা করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করেছেন নাহিদ আক্তার। মামলার পর জিয়াউদ্দিন রুফিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।