শনিবার আসামিকে আদালতে উপস্থিত করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। রিমান্ড শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন আদালত তার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জানা যায়, রাজুর বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা এলাকায়। তার বাবার নাম মজিবুর রহমান। রাজু নামের ঐ ব্যক্তি মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শুভেচ্ছার কর্মী। ‘পাওয়ার ব্যাংকে’ লুকিয়ে সোনার বার পাচারের চেষ্টা করছিলেন তিনি।
.png)
এ সময় শুক্রবার সকালে তাকে ১১টি সোনাবারসহ আটক করে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
সূত্র জানায়, উদ্ধার করা সোনার বারগুলোর মোট ওজন ১ হাজার ২৭৬ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, শুভেচ্ছার সিনিয়র কাস্টমার রিপ্রেজেনটেটিভ রাজুর গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশের গোয়েন্দা দলের। রাজুকে ১ নম্বর লাগেজ বেল্টের কাছে টয়লেটে ঢুকতে দেখা যায়। এছাড়া সেখানে যাত্রীদের সঙ্গে কোনো কিছু বিনিময় করে বলেও সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। এ সময় একটি কালো রংয়ের পাওয়ার ব্যাংকের ভেতর থেকে ১০টি এবং তার পকেট থেকে একটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রাজু জানিয়েছেন, দুবাই থেকে আসা যাত্রীর কাছ থেকে এসব সোনার বার নিয়েছেন তিনি। সোনা পাচারকারী চক্রের সদস্যরা প্রথমে মোবাইলে রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করে। কাজ শেষে তাকে পাওনা বুঝিয়ে ‘খুশি করে’ দেওয়া হবে বলে কথা দেয় তারা।
রাজুর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।