বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এদিন সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধার পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন তাদের আইনজীবীরা। এর আগে অবন্তিকা বড়াল ও শংখ বেপারীর পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ হয়।
মামলার আইনগত বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এদিন রায়ের তারিখ নির্ধারিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
.png)
তার আগে গত ২৬ জুলাই আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন কারাগারে থাকা চার আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন। পিকে হালদারসহ ১০ আসামি পলাতক থাকায় তারা আত্মপক্ষের সমর্থনের সুযোগ পাননি।
দুদকের আইনজীবী মীর আহাম্মদ আলী সালাম জানান, মামলাটিতে দুদকের পক্ষ থেকে যুক্তিতর্ক তুলে ধরা হয়েছে। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করছি। পিকে হালদারসহ ১০ জন পলাতক রয়েছে। তাদের পক্ষে কোনো পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ নেই। মামলায় কারাগারে থাকা চার আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।
এর আগে, গত ২০ জুলাই মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে ১০৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। পলাতক অপর আসামিরা হলেন- পি কে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।