বুধবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল বিন আতিকের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন পুলিশের উপ-পরিদর্শক গোলাম মওলা ও কনস্টেবল মোহাম্মদ আবু নাঈম আদালতে সাক্ষ্য দেন।
এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। এদিন তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলায় ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্য দিয়ে ১৪ জনের সাক্ষ্য শেষ হলো।
.png)
আরাভ খান বাদে মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সুরাইয়া আক্তার কেয়া, রহমত উল্লাহ, স্বপন সরকার, মিজান শেখ, আতিক হাসান, সারোয়ার হাসান ও দিদার পাঠান। এর মধ্যে রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান ও সুরাইয়া আক্তার কেয়া পলাতক। কারাগারে থাকা বাকি ছয় আসামি এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এই মামলার অপ্রাপ্ত বয়স্ক দুই আসামি মেহেরুন্নেছা স্বর্ণা ওরফে আফরিন ওরফে আন্নাফী ও মোছা. ফারিয়া বিনতে মিম। তাদের বিরুদ্ধে ভিন্ন দোষীপত্র দাখিল করা হয়। তাদের বিচার শিশু আদালতে চলমান।
২০১৮ সালের ৯ জুলাই গাজীপুরের জঙ্গল থেকে মামুন ইমরান খানের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঐ ঘটনায় মামুনের ভাই জাহাঙ্গীর আলম খান বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত।