মঙ্গলবার আসামিদের আদালতে উপস্থিত করে মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ দিবা ছন্দার আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সোমবার বিকেলে মোহাম্মদপুর থানার শ্যামলী শপিং সেন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত ৬০টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ৩ কৌটা ঝাঁঝালো পদার্থ মিশ্রিত ভ্যাসলিন উদ্ধার করা হয়।
.png)
কতিপয় দুস্কৃতিকারী মোহাম্মদপুর থানার শ্যামলী শপিং সেন্টারের সামনে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের নিকট হতে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে চেতনানাশক অজ্ঞান করার ট্যাবলেট ও ঝাঁঝালো পদার্থ মিশ্রিত ভ্যাসলিনসহ অবস্থান করছে মর্মে তথ্য পায় পুলিশ। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন দ্রব্যের সঙ্গে চেতনা নাশক ট্যাবলেটের গুড়া মিশ্রণ করে খাওয়ায়। এছাড়া ঝাঁঝালো পদার্থ মিশ্রিত ভ্যাসলিন চোখে লাগিয়ে সাধারণ মানুষদের অজ্ঞান করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।