ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

জি কে শামীমসহ আটজনের বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৫৮, ২৮ মার্চ ২০২৩
জি কে শামীমসহ আটজনের বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন 
এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম- ফাইল ফটো

মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এদিন যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আদালত আগামী ৩০ এপ্রিল পরবর্তী যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করেন। 

এর আগে ৬ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ জি কে শামীমসহ আটজনের সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ডের প্রত্যাশা করে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে।

Advertisement

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জি কে শামীমসহ আটজনের সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ডের প্রত্যাশা করে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেছি। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মোরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন ও মো. আনিছুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সাত সশস্ত্র দেহরক্ষীসহ জি কে শামীমকে তার কার্যালয় থেকে আটক করে র‍্যাব। নিকেতন এ-ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাড়িতে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

এরপর জি কে শামীমের বিরুদ্ধে র‍্যাব বাদী হয়ে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে তিনটি মামলা করেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৪ আগস্ট আদালতে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!