ঢাকা,  বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

বুড়িগঙ্গা দখলদারদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:৩০, ১২ অক্টোবর ২০২০
বুড়িগঙ্গা দখলদারদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট
ফাইল ছবি

বুড়িগঙ্গা নদীর আদি চ্যানেল (হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর) সিএস/আরএস অনুসারে জরিপ করে দখলদারদের নাম-ঠিকানাসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে হলফনামা আকারে আদালতে ওই প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’র করা রিটের সম্পূরক আবেদনের শুনান করে সোমবার বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।   

জমির জরিপ করার জন্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে (ডিজি) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জরিপ টিমে ঢাকা জেলা প্রশাসক, বিআইডব্লিউটিএ’র প্রতিনিধিও রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ঢাকার পুলিশ সুপারকে জরিপে সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, চার নদীতে অবৈধ দখল বন্ধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) দায়ের করা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় ২০০৯ সালে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ও বিচারপতি মমতাজউদ্দীন আহমেদ রায় দিয়ে নদীর সীমানা জরিপ, দখলদারদের উচ্ছেদসহ ৯ দফা নির্দেশনা দেন।

ওই রায়ের আলোকে জরিপের সময় হাজারীবাগ-কামরাঙ্গীর চর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ আদি চ্যানেল জরিপের বাইরে থাকায় ২০১৫ সালে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে ওই এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ আদি চ্যানেলের জায়গা জরিপ করে দখলকারীদের চিহ্নিত করার আবেদন জানানো হয়।

শুনানি শেষে তখন বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের বেঞ্চ আদি চ্যানেল সিএস/আরএস বিশেষ জরিপ টিম গঠন করে সীমানা নির্ধারণপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে এইচআরপিবির পক্ষে একটি সম্পূরক আবেদনে হাজারীবাগ-কামরাঙ্গীর চর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ উদ্ধার ও দখলকারীদের উচ্ছেদের আবেদন জানানো হয়। সে বিষয়ে শুনানি করে আদালত এ আদেশ দেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!