সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মঘটের পাশাপাশি অ্যামাজনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০টিরও বেশি দেশে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- শ্রমিক নিপীড়ন, পরিবেশ দূষণ এবং গণতন্ত্রের প্রতি হুমকি। বিক্ষোভকারীরা অ্যামাজনের কাছ থেকে বেতন বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ এবং ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অনুমতির দাবি জানাচ্ছে।
এদিকে, অ্যামাজন এক বিবৃতিতে আন্দোলনকারীদের ‘অপপ্রচারকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা দাবি করেছে, তাদের কর্মপরিবেশ আধুনিক এবং নিরাপদ। কোম্পানি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ১.৫ মিলিয়নের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গুরুতর গুদাম দুর্ঘটনার ৫০ শতাংশ অ্যামাজনের কর্মক্ষেত্রে ঘটেছে।
.png)
২০২০ সালে শুরু হয় ‘মেক অ্যামাজন পে’ আন্দোলন। এটির লক্ষ্য হলো অ্যামাজনকে তার কর্মচারী, পরিবেশ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ করতে বাধ্য করা। ইউএনআই গ্লোবাল ইউনিয়ন এবং প্রগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। ৩০টির বেশি ট্রেড ইউনিয়ন, পরিবেশবাদী সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের দলগুলো অংশ নিয়েছে এবারের ধর্মঘটে।