কয়েকমাস ধরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র (এটিএসিএমএস নামে পরিচিত) ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করে আসছিলো, যাতে করে কিয়েভ নিজ দেশের সীমানার বাইরে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাতে পারে।
রোববার এই খবরের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন এসব বিষয় ঘোষণা করা হয়নি, ক্ষেপণাস্ত্রই তাদের জন্য কথা বলবে।
.png)
বিভিন্ন সূত্রের বরাতে মার্কিন ও বিশ্ব গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইউক্রেন রাশিয়ায় দূরপাল্লার হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। আর এ জন্য দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া অস্ত্র ব্যবহার করতে চায়। যে বিষয়ে এতোদিন অনুমতি দেয়নি ওয়াশিংটন। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২০ জানুয়ারি শপথগ্রহণ করবেন। তিনি ক্ষমতায় গেলে হিসেব উল্টেও যেতে পারে। ট্রাম্প বরাবরই এই যুদ্ধ বন্ধ করার কথা বলছেন।
সূত্রগুলো বলছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে প্রথম হামলা সম্ভবত এটিএসিএমএস রকেট দিয়ে চালানো হবে। এসব রকেট ১৯০ মাইল (৩০৬ কিলোমিটার) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের একটা অংশ বলছে, এ সিদ্ধান্ত রুশ সেনাদের ভূখণ্ড দখলের চলমান সময়টাতে ইউক্রেনকে হয়তো সহায়তা করতে পারবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হলে তা দর-কষাকষিতে কিয়েভকে ভালো অবস্থানে রাখবে।