শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি কিয়েভে ভিক্টর পিনচুক ফাউন্ডেশনের এক সম্মেলনে এ কথা বলেন।
জেলেনস্কি বলেন, যদি মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে একসঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারে, তাহলে ইউক্রেনের আকাশে কেন তা করা হচ্ছে না? এমনকি যখন সেই ড্রোনগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে উড়ে আসে, তখনও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।
.png)
তিনি আরো অভিযোগ করেন, আমাদের মিত্ররা অন্য সব বিষয়ে কাজ করার কথা বললেও আলোচনার সময় এই ইস্যু উত্থাপন করলে এ বিষয়ে তারা কিছু বলে না। তারা প্রসঙ্গ বদলে ফেলে। এতটাই ভীত যে, তারা বলতেও সাহস করে না যে, তারা এ নিয়ে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত শুধু বেলারুশকেই রাশিয়ার ড্রোন ভূপাতিত করতে দেখা গেছে।
জেলেনস্কির অভিযোগ, পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ প্রতিহত করতে ইসরায়েলকে সহায়তা করা হলেও ইউক্রেনকে একই ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না। ইউক্রেন প্রতিদিনই রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তের নিকটবর্তী গ্যাস সংরক্ষণ স্থাপনা লক্ষ্য করেও কিছু রুশ হামলা হচ্ছে। এমনকি কিছু ড্রোন রোমানিয়া, পোল্যান্ড ও সম্প্রতি লাটভিয়ার আকাশসীমায়ও প্রবেশ করেছে।
তবে ইউক্রেনের মিত্ররা মনে করে, ইউক্রেনের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার পদক্ষেপ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। এতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সংঘাত আরো তীব্র হতে পারে।
পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ডুদা গত ২৪ আগস্ট বলেছিলেন, ন্যাটো দেশগুলো ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, জার্মান চ্যান্সেলর এই বিষয়টিকে অগ্রাহ্য করে বলেছেন, এটি সম্ভব নয় এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রেরও একই মনোভাব রয়েছে।
সূত্র: পলিটিকো