পুতিনের এই সফর পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন এক মাত্রা যোগ করবে।
এর আগে, সবশেষ ২০০০ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর পুতিন উ. কোরিয়ায় গিয়েছিলেন। তখন উ. কোরিয়ার নেতা ছিলেন বর্তমান নেতা কিম জং উনের পিতা কিম জং ইল।
.png)
জানা গেছে, এই সফরে পুতিনের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি-দাওয়া রয়েছে কিমের। এর মধ্যে প্রধান চাওয়া হলো, ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ ও মহাকাশে গোয়েন্দা স্যাটেলাইট পাঠাতে রাশিয়ার সহযোগিতা চাইবেন উত্তরের নেতা। এ ছাড়া পারমাণবিক সাবমেরিন ও স্যাটেলাইট নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় রাশিয়ার কাছ থেকে সাহায্য চাইতে পারে উত্তর কোরিয়া। এমনকি রাশিয়ায় আরও বেশি শ্রমিক পাঠাতে চাইবেন কিম।
তবে কিম এত দাবি করলেও সব কিছু পুতিন করবেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমা বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, তিনি হয়তো কিছু পাবেন। তবে যা যা চাইবেন তার সব পাবেন না।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ব্রুস ব্যানেট বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জানেন উত্তর কোরিয়া সত্যিকার অর্থে তাদের সহযোগী নয়। তাই রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে এমন সামরিক সক্ষমতা দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন তিনি।
ব্যানেটের সুর মিলিয়ে কারনেগি এনডোমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের বিশ্লেষক অঙ্কিত পাণ্ডা বলেছেন, মস্কোর কাছে পিয়ংইয়ং যা চাইবে তাই পাবে, আমাদের এমনটি মনে করা উচিত নয়। উত্তর কোরিয়া গত কয়েক দশক ধরে নিজেরাই নিজেদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে রাশিয়ার প্রযুক্তি আরো বেশি দরকারি উপকরণ হতে পারে।
ব্যানেট বলছেন, রাশিয়া মনে হচ্ছে স্বল্প ও দূরপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে বেশি আগ্রহী, সাথে সম্ভবত কিছু মাত্রার পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তিও।