বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র, স্যাটেলাইট ও পারমাণবিক চালিত সাবমেরিন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে উচ্চ-সম্পন্ন সামরিক প্রযুক্তির জন্য আগ্রহী।
রুশ সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ বলেছেন, সম্ভবত নিরাপত্তা ইস্যুতে সহযোগিতার জন্য একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন এই দুই নেতা।
.png)
র্যান্ড কর্পোরেশনের সিনিয়র প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ব্রুস বেনেট ইয়োনহাপকে বলেন, রাশিয়াকে কামান, রকেট লঞ্চার ও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সমর্থন করার জন্য স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে উত্তর কোরিয়া। তিনি বলেন, এসব অস্ত্রের বিনিময়ে তেল ও খাদ্য পণ্য সরবরাহ করতে পারে রাশিয়া।
জানা যায়, উত্তর কোরিয়ার মহাকাশ প্রযুক্তিসহ খাদ্য, জ্বালানি ও বৈদেশিক মুদ্রা খাতে সহযোগিতা প্রয়োজন।
অন্যদিকে রাশিয়ার প্রয়োজন অস্ত্র। এ সকল বিষয়ে বড় ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সফরটি তাদের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করবে। যদিও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতাকে প্রকাশ্যে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিষিদ্ধ।
ডংগুক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কোহ ইউ-হওয়ান এএফপিকে বলেন, ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সমর্থন প্রয়োজন। অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার চাপ কমানোর জন্য উত্তর কোরিয়ার খাদ্য, শক্তি ও উন্নত অস্ত্রের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সমর্থন প্রয়োজন।