এই বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ডেলিভারির জন্য অপেক্ষমাণ তাদের কিছু ৭৮৭ ড্রিমলাইনার সিরিজের বিমানে ভুল তরিকায় ফিউসেলেজ বসানো হয়েছে। ত্রুটিযুক্ত এসব বিমানে আবার পরীক্ষা চালানো হবে। বৃহস্পতিবার এ তথ্য দেয় বোয়িং।
এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি আরো জানিয়েছে, যে জেটগুলোর এখনো ডেলিভারি দেওয়া হয়নি, শুধু সেগুলোতেই সমস্যা আছে।
.png)
‘বর্তমানে সেবায় নিয়োজিত ড্রিমলাইনারগুলো পরিচালনার জন্য পুরোপুরি নিরাপদ।’
বোয়িং আরো জানায়, এরপরেও যেসব বিমান চালু আছে সেগুলোতে কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে কিনা তা এখনো যাচাইবাছাই করছে তারা।
ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাসোসিয়েশন (এফএএ) প্রধান মাইকেল হুইটেকারে বোয়িংয়ের দক্ষিণ ক্যারোলিনার বোয়িং ৭৮৭ কারখানা পরিদর্শনের ঠিক আগেই এই ঘোষণা এলো।
এর আগে, আলাস্কা এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৯ বিমানের দরজার প্যানেল মাঝ আকাশে খুলে পড়লে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। ঐ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স নাইনের ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ইউএস ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের একটি প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, যে চারটি বোল্ট বিমানের দরজাকে নিরাপদে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয় সেগুলো ঠিকমতো না লাগানোর জন্য এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনার জন্য বোয়িংকে ফৌজদারি তদন্তের পাশাপাশি বিমানে থাকা যাত্রীদের কাছ থেকে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে।