পুলিশের অভিযানের সময় অনেক শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে ছিলেন। তারা আন্দোলনকারীদের স্থাপন করা ক্যাম্প ভেঙে দেয়। শিক্ষার্থীদের অপরাধীর মতো চেপে ধরে পিছমোড়া করে হাতকড়া পরান। এরপর তাদের জড়ো করার পর ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় বেশ মর্মাহত বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, অন্তত ২৫ জন পুলিশ সদস্য অতর্কিতভাবে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছিলেন।
.png)
আমিরা নামে মরক্কোর এক শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে জানান, পুলিশের অনেক সদস্য বেসামরিক লোকের ছদ্মবেশে ছিলেন। তাদের মুখে মুখোশ ছিল। হাতকড়া পরা এবং গ্রেফতার হওয়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে এখন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অপরাধীর মতো হাতকড়া পরিয়ে আমাদের সহপাঠীদের নিয়ে যাওয়ায় সবাই হতাশ।
তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল। আমরা কিছু করিনি। কোনো হিংসা বা কোনো বৈষম্য বা ঘৃণার পথ বেছে নিইনি। পুলিশ ঠিক করেনি। এটা ভালো হয়নি। আমরা তো ছাত্র। আমরা গাজায় শান্তি চাই।
প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরায়েলের এই হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে গত ১৮ এপ্রিল বিক্ষোভ শুরু করেন নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের এ বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন সরকার। এর মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।