মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনভিত্তিক সামরিক খাত বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিষ্ঠানটি শঙ্কা জানিয়েছে, চলতি বছর এই ব্যয় আরো বাড়বে। যার নেপথ্যে রয়েছে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ, ইউক্রেন সংঘাত এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাড়তে থাকা উত্তেজনা।
.png)
নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর আর্কটিক অঞ্চলে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং সংঘাতময় পরিস্থিতি, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া, চীনের উদ্বেগ এবং আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে সামরিক শাসনের উত্থান বিশ্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন শঙ্কার কারণ হয়ে ওঠবে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামরিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির ফলে এই দশক বিশ্বের অবস্থা আরও খারাপের দিকে যেতে পারে, এমনটি জানিয়েছে গত ৬৫ বছর ধরে প্রতিবছর এমন প্রতিবেদন প্রকাশকারী এই প্রতিষ্ঠানটি।
রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার পর পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো জাতীয় নিরাপত্তায় ব্যয় বাড়াতে বাধ্য হয়। যুক্তরাষ্ট্রছাড়া ইউরোপের অধিকাংশ সদস্য দেশ তাদের সামরিক ব্যয় প্রায় ৩২ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।
এর আগে, ২০২২ সালে সারাবিশ্বের সামরিক ব্যয় কত হয়েছিল তা নিয়ে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তা ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান আইআইএসএস-এর তথ্যের সঙ্গে কিছুটা অসঙ্গতিপূর্ণ ছিল।
সুইডেনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে ২ দশমিক ২৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ ইউরোপজুড়ে সামরিক ব্যয়ে এই মারাত্মক উর্দ্ধগতি বলে জানিয়েছে এসআইপিআরআই। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এর বেশিরভাগই রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের জন্য বাড়ছে, তবে অন্যান্য দেশ প্রধানত ইউরোপের দেশগুলোও রুশ হুমকির প্রতিক্রিয়ায় সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা