মিয়ানমারের রাষ্ট্রচালিত গণমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট জানিয়েছে, সেখানে একটি বালির পাহাড় ধসে পাশের একটি হ্রদের জল বেড়ে গেছে এবং এর ফলে খনির শ্রমিকরা আটকা পড়েছেন।
মিয়ানমারে পাথরের খনি একটি লাভজনক ব্যবসা। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত এই খাতে ২০২০ সালের ভূমিধসের পর একই এলাকায় ১৭০টিরও বেশি প্রাণহানিসহ ঘন ঘন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
.png)
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, খনি খননের কারণে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ মিটার উঁচু মাটির বিশাল স্তূপটি তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে আলগা হয়ে যায় এবং ধসে পড়ে। উদ্ধার করা মরদেহগুলোর মধ্যে সবাই পুরুষ। তাদের সবার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে
জানা গেছে, বর্ষাকালে খনির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। তবে ভূমিধসে হতাহত কাদা থেকে মূল্যবান কিছু পাওয়ার আশায় নিয়ম ভেঙে কাজ করছিলেন।