ধূসর নীল রঙের এই বিষধর সাপের বৈজ্ঞানিক নাম Demansia cyanochasma (ডেমানসিয়া কায়ানোক্যাশমা)। গ্রিক শব্দ কায়ানোস মানে নীল ও ক্যাশমা মানে স্থান।
দেখতে আলাদা হলেও এতকাল ডেজার্ট হুইপকে জীববিজ্ঞানীরা অন্য দুই প্রজাতির হুইপ সাপের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলতেন। পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার হলুদ মুখের হুইপ ও জালিকাযুক্ত হুইপ সাপের সঙ্গে মিলিয়ে ভুল চলছে অনেকদিন। বিষধর হলেও এই সাপ তার শিকারিকে পেঁচিয়ে ধরে। তবে এই সাপ মানব শরীরের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয় বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন।
.png)
‘ডেজার্ট হুইপ’ সর্বোচ্চ ৮৯ সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে এটি। এই সাপের প্রজনন সময় বসন্তের শেষ সময় থেকে গ্রীষ্মের শুরু পর্যন্ত।
২০ জুলাই গবেষকেরা তাদের নতুন প্রজাতির সাপের তথ্য প্রকাশ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে বেশি বিষধর সাপের মধ্যে হুইপ অন্যতম। হুইপ সাপের এ নিয়ে ১৫টি উপপ্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেল। মধ্য অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে দেখা মেলে এই বিষধর সাপের।
জিনবিজ্ঞানী জেমস নানকিভেল বলেন, ‘জিনবিন্যাসের মাধ্যমে আমরা নতুন এই উপ-প্রজাতির ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি। এই সাপের গতি অন্য প্রজাতির সাপের চেয়ে বেশ দ্রুত আর সবচেয়ে চমকে যাওয়া বিষয় হচ্ছে এর বড় বড় চোখ। এই সাপ দ্রুতগতিতে শিকারের ওপর হামলে পড়ে।’
গবেষকেরা জানিয়েছেন, এই সাপের বিষ থাকলেও মানবশরীরের জন্য কম ঝুঁকিপূর্ণ। ডেজার্ট হুইপের ছোবলে ব্যথা ও শরীর অবশ হয়ে যায়, মানুষের মৃত্যুর হার তুলনামূলক কম। এই প্রজাতির সাপ অস্থির প্রকৃতির হয়। একটুতেই ভড়কে যায়। চাবুকের মতো দেখতে বলেই তাদের নামকরণ করা হয়েছে হুইপ। কোনো কারণে অবশ্য রেগে গেলে এই সাপ বেশ হিংস্র আচরণ করে।
সূত্র: পার্থ নাউ