মনে কর হচ্ছে, কঙ্কাল দুটি ৫৫ বছর বয়সী পুরুষদের। এগুলো কাস্টি আমান্টি বা পবিত্র প্রেমীদের হাউজে একটি প্রাচীরের নিচে পাওয়া গেছে। এলাকাটি আগ্নেয়গিরির লাভায় ঢেকে যাওয়ার আগে ধসে পড়েছিল।
পম্পেই প্রত্নতাত্ত্বিক পার্কের পরিচালক গ্যাব্রিয়েল জুচট্রিগেল বলেছেন, আগ্নেয়গিরির ছাই দ্বারা নয় বরং ভবন ধসে মারা যায় তারা। তাদের ভাঙা হাড়ের মধ্যে দেয়ালের টুকরো পাওয়া গেছে।
.png)

জার্মান এ প্রত্নতত্ত্ববিদ বলেন, আধুনিক খনন কাজের মাধ্যমে ঐ দুর্যোগ সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। কারণ মাত্র দুই দিনের অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
নেপলস থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পম্পেই। জায়গাটিতে প্রায় ১৩ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। সেখানে একটি অগ্ন্যুৎপাতের শক্তি ছিল কয়েকটি পারমাণবিক বোমার সমান। এতে ঐ এলাকা বিধ্বস্ত হয়ে যায়। পম্পেই নগরীতে পানি ও ড্রেনেজের সুব্যবস্থা ছিল।
পৃথিবীর প্রাচীনতম অভিজাত জনপদগুলোর একটি ছিল এই পম্পেই নগরী। রোমান আর গ্রিক বণিকদের ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল কেন্দ্রও ছিল এই নগরী।
৩০০ বছর ধরে পম্পেই নগরীর ভগ্নাবশেষে চলছে খনন ও অনুসন্ধান। প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, এখনো অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে এই ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন নগরীতে।