তাই লাইলাতুল কদর লাভের আশায় পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনায় মুসল্লিদের ঢল নেমেছিল। শবে কদরের এ সম্ভাব্য রাতে মক্কার মসজিদুল হারামে ১০ লাখের বেশি মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
মক্কার কাবা প্রান্তরজুড়ে লাখ লাখ মুসল্লি শবে কদরের রাতে ইবাদত বন্দেগিতে শামিল হন। কাবা প্রান্তর ছাড়িয়ে আশপাশের রাস্তাঘাটও মুমিন বান্দায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। দ্বিতীয় পবিত্র মসজিদে মদিনার মসজিদে নববিতেও লাখো মুসল্লি এই রাতে ইবাদতে অংশ নেন।
.png)
আরো পড়ুন>> পশ্চিমবঙ্গে বাড়ছে করোনা, বাধ্যতামূলক হতে পারে মাস্ক ব্যবহার
লাইলাতুল কদরের ফজিলত অন্বেষণে মক্কা ও মদিনার মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের ভিড় বাড়তে থাকে বিকাল থেকেই। মসজিদের প্রতিটি ফ্লোর ছিল মুসল্লিদের ভিড়ে ঠাসা। মক্কা হারাম শরীফের বাইরেও অনেক দূরে রাস্তায় মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, পবিত্র ঘরের ইতিহাসে এই প্রথম রমজানে মক্কা থেকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নামাজের কাতার পৌঁছায়। এ পুরো পথ সারিবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা।
মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা পরিষদের প্রধান শায়খ আবদুর রহমান আস-সুদাইস, মক্কায় বরকতময় এ রাতে নামাজ পরিচালনা করেন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ৪ হাজার কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন এবং ৭০টি ফিল্ড টিম দ্বারা মসজিদটি ২৪ ঘন্টা পরিষ্কার করা হচ্ছে।
সূত্র: আরব নিউজ