সোমবার (১৩ মার্চ) একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সরাসরি এ কথা বলেছেন আইআরজিসি’র নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি।
তিনি জানান, শহীদ মাহদাভি নামে এই জাহাজে ৩০০ থেকে ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, সেপেহার-৭ ভারটিকেল লঞ্চ ড্রোন, ১৩০০ কিলোমিটার পাল্লার কামিকাজি ড্রোন এবং পাঁচটি হেলিকপ্টার বহন করতে পারে।
.png)
আরো পড়ুন>> এ বছরই সমাপ্তি হবে মহামারি করোনার: ডব্লিউএইচও
সমুদ্রগামী জাহাজটি আইআরজিসি’র নৌবহরে যুক্ত হওয়ার কয়েকদিন পর আলী রেজা তাংসিরি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানালেন। ২১০০ টন ওজনের এই জাহাজ ২৪০ মিটার লম্বা, চওড়া ২৭ মিটার এবং এতে থ্রিডি ফেইজড রাডার এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার কমিউনিকেশন সিস্টেম রয়েছে।
রিয়ার অ্যাডমিরাল বলেন, নিকট ভবিষ্যতে ইরানের যুদ্ধজাহাজগুলোর গতি আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ গুলোর গতিকে ছাড়িয়ে যাবে।
আইআরজিসির এ কমান্ডার জানান, আরো কয়েক রকমের যুদ্ধজাহাজে বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের ক্ষেপণাস্ত্র বসানো হয়েছে। এর মধ্যে তারেক ক্লাস বোট ৬০ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলা অবস্থায় শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট