ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

ভারতকে পানি না দেয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করলো ভুটান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:১৪, ২৬ জুন ২০২০
ভারতকে পানি না দেয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করলো ভুটান
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয় যে, আসাম রাজ্যের কৃষকদের কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ চ্যানেলের পানি আটকে দিয়েছে ভুটান। তবে এই খবরকে প্রত্যাখান করে এটিকে গুজব বলে দাবি করেছে ভুটান।

শুক্রবার ভুটানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির সংবাদমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি করে।

বিবৃতিতে ভুটানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ জুন ভারতের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভুটান দেশটির আসামের ২৫টি জেলার কৃষকদের সেচ চ্যানেলের মাধ্যমে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ওই খবরটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। ভারতের সঙ্গে ভুটানের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে এটি একটি ‘ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা’ বলেও উল্লেখ করা হয় ওই বিবৃতিতে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য দেশের মতো ভুটানও লকডাউনের আওতায় রয়েছে। ফলে লকডাউন হওয়ার পর থেকে ভারতীয় কৃষকরা অতীতের মতো সেচ চ্যানেলগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ভুটানে প্রবেশ করতে পারছিলো না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এটি একটি বেদনাদায়ক অভিযোগ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে বলতে চায় যে, এই মুহুর্তে পানির প্রবাহ বন্ধ করার কোনো কারণ নেই। সুতরাং ওইসব প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

ভুটানের এই বিবৃতি আসার পূর্বেই আসামের মুখ্য সচিব কুমার সঞ্জয় কৃষ্ণ গভীর রাতে একটি টুইট বার্তায় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত পানি বন্ধের প্রতিবেদনকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক কারণেই পানি আটকে গিয়েছিল। সেটিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ভুটান পানি বন্ধ করেনি। বরং প্রাকৃতিক কারণে পানি প্রবাহে যে বাধার সৃষ্টি হয়েছে সেটি নিরসনে সহায়তা করে আসছে দেশটি।

উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সাল থেকে ওই চ্যানেলের মাধ্যমে ভুটান থেকে ভারতে পানি প্রবাহিত হয়ে আসছিলো। চাষিরা ওই পানি কৃষিকাজের জন্য ব্যবহার করেন।

সূত্র- দ্য হিন্দু

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএমএফ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!