কারণ অনেক সময় ই-কমার্স থেকে স্মার্টফোন কিনে ঠকেছেন গ্রাহকরা। আসলে দেখা গেয়েছে, ভুয়া ফোন পেয়েছেন তারা। আর দামি ফোনের ক্ষেত্রে এই প্রতারণার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। তাই যদি আইফোনের কথা বলা হয়, তাহলে আসল আর নকলের ফারাকটা বোঝা অত্যন্ত জরুরি।
আসল ফোনে সব সময় IMEI নম্বর থাকে। আর এখান থেকেই আসল আর নকলের তফাতটা বোঝা সম্ভব। আর IMEI নম্বর পাওয়ার জন্য প্রথমে Settings-এ যেতে হবে। এরপর General অপশনে ক্লিক করতে হবে। About অপশনে ট্যাপ করে স্ক্রোল করে নিচে নামলেই বেরিয়ে আসবে IMEI নম্বর। যদি কোনো IMEI অথবা সিরিয়াল নম্বর না থাকে, তাহলে বুঝতে হবে যে, আইফোন মডেলটা নকল।
.png)
অপারেটিং সিস্টেম পরীক্ষা: আইফোনে যে iOS-এ চলে, এ কথা সকলেরই জানা! সেই সঙ্গে এটা জানাও জরুরি যে, এর অপারেটিং সিস্টেম অ্যানড্রয়েডের তুলনায় আলাদা। তাই আইফোনের অপারেটিং সিস্টেম পরীক্ষা করতে হবে। এর জন্য ফোনের Settings মেন্যুতে যেতে হবে। তারপর Software ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এখান থেকেই জানা যাবে, iOS ভার্সনের বিষয়ে। বলে রাখা ভালো যে, আইফোনে একাধিক অ্যাপ রয়েছে, যা ইনবিল্ট থাকে। যেমন - Safari, Health, iMovie ইত্যাদি।
Siri ফেসিলিটি: প্রতিটি আইফোনে ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট Siri থাকে। তাই একবার Hey Siri বলে সেটা দেখে নিতে হবে। যদি তা অ্যাক্টিভেটেড না হয়, তাহলে Settings-এ একবার Siri অপশন যেতে হবে। যদি সেখানেও তা না পাওয়া যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে, আইফোন আসল নয়।
বডি পরীক্ষা: বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নকল আইফোনের বডি দেখে চেনা সম্ভব। আসলে নকল এবং সস্তার মডেলের দাম কিন্তু আসল মডেলের থেকে অনেকটাই কম। আর এর ডিজাইনের ক্ষেত্রেও হালকা পার্থক্য দেখা যায়। তাই আইফোন হাতে নিয়ে এর ফিজিক্যাল বডি সাবধানে দেখে নিতে হবে। এর পাশাপাশি নচ, ফ্রেম এবং ক্যামেরা মডিউল থেকেও আসল-নকলের ফারাক করা সম্ভব।